সভা-সমাবেশ করলে পুলিশের কাছ থেকে অনুমতি নিতে হয়। কিন্তু তারা পুলিশ থেকে কোনো অনুমতি নেয়নি। এছাড়া কারফিউ চলাকালে শিথিল থাকলেও কোনো সভা-সমাবেশ করা যায় না
কাজী তারেক আজিজ, নগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার
কারফিউর ১০ দিন অতিবাহিত হওয়ার পরেও গতকাল সোমবার ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশ। রাজধানীর মিরপুর-১০, ইসিবি চত্বর, সায়েন্সল্যাব ও ধানমন্ডির স্টার কাবাবের সামনে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ করার চেষ্টা করলে পুলিশ লাঠিপেটা করে ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এ সময় ২০ জন আন্দোলনকারীকে আটক করে পুলিশ। অপরদিকে রাজশাহী-ঢাকা মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শিক্ষার্থীরা। এদিকে চট্টগ্রামে কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে আবারও পুলিশ ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এক পর্যায়ে পুলিশ শিক্ষার্থীদের লক্ষ্য করে টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করে দেয়। শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ কর্মসূচির ঘোষণার পূর্বেই রাজধানীসহ সারাদেশে পুলিশ, র্যাব ও বিজিবি মোতায়েন করা হয়। গতকাল সোমবার সকাল থেকেই ঢাকার রাস্তায় গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও মোড়ে পুলিশসহ অন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা মোতায়েন ছিলো। এছাড়া গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় টহল দেয় সেনাবাহিনী। জানা গেছে, ঢাকায় ইসিবি চত্বরে বিক্ষোভ মিছিলের জন্য জড়ো হওয়া শিক্ষার্থীদের লাঠিপেটা করেছে পুলিশ। সেখান থেকে বেশ কয়েকজনকে আটকও করা হয়। শিক্ষার্থীরা গতকাল সোমবার দুপুর ১টার দিকে ইসিবি চত্বরে জড়ো হয়ে স্লোগান দিতে শুরু করেন। এক পর্যায়ে পুলিশ ধাওয়া করে তদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। তবে এই ঘটনায় কারও আহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি। ইসিবি চত্বর এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ ও সেনা মোতায়েন রয়েছে।
মিরপুর থানার ওসি মুন্সি সাব্বির গণমাধ্যমকে জানান, বিক্ষোভ কর্মসূচির সময় মিরপুর ১০ নম্বরের গোলচত্বর থেকে ১০ জনকে আটক করা হয়েছে। এছাড়া ধানমন্ডির স্টার কাবাবের সামনে থেকে ১০ জনকে আটকের কথা জানান নিউমার্কেট জোনের সহকারী কমিশনার মো. রেফাতুল ইসলাম। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ইসিবি চত্বরে দায়িত্বরত পুলিশের একজন কর্মকর্তা জানান, কয়েকজন বিক্ষোভকারী গলি থেকে ইটপাটকেল ছোড়ে। পুলিশ তাদের সরিয়ে দেয় ও কয়েকজনকে আটক করেছে।
রাজধানীর সায়েন্স ল্যাবে পুলিশের বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থীকে পুলিশ আটক করে গাড়িতে তুলেছে। গতকাল সোমবার দুপুরে রাজধানীর কয়েকটি এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পক্ষ থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণার পর তাদের মোতায়েন করা হয়। এর আগে রোববার রাতে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) হেফাজতে থাকা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ছয় জন সমন্বয়ক এক ভিডিওবার্তায় শিক্ষার্থীদের চলমান কর্মসূচি প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন। পরে অন্য সমন্বয়কদের মধ্যে কয়েকজন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গতকাল সোমবার বিক্ষোভ কর্মসূচির ঘোষণা দিয়ে এই আন্দোলন চলমান থাকবে বলে জানান। সমন্বয়কদের পক্ষ থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গতকাল ঢাকার আটটি স্থানে বিক্ষোভ কর্মসূচি হবে বলে জানানো হয়েছিল। স্থানগুলো হচ্ছে- সায়েন্স ল্যাব, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ৮ নম্বর গেট, প্রেসক্লাব, উত্তরার বিএনএস সেন্টার, মিরপুর-১০, মিরপুরের ইসিবি চত্বর, রামপুরা ও মহাখালী। এসব এলাকায় গতকাল সোমবার সকাল থেকেই পুলিশ মোতায়েন করতে দেখা যায়। পাশাপাশি র?্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র?্যাব) হেলিকপ্টারের টহলও দিতে দেখা যায়। সেনাবাহিনীর সদস্যদেরও রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে টহল দিতে দেখা যায়। সরেজমিনে দেখা যায়, রাজধানীর মোহাম্মদপুর, মিরপুর-১০ নম্বর গোলচত্বর, বাড্ডা, রামপুরা, প্রেসক্লাব, যাত্রাবাড়ীতে বাড়ানো হয় পুলিশের উপস্থিতি। সড়কেও বাড়তি পুলিশের উপস্থিতি দেখা যায়। সড়কে যানবাহনের চাপও ছিলো। বিজিবি সদর দফতরের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শরিফুল ইসলাম জানান, বর্তমানে কোনো প্রকার বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি যাতে সৃষ্টি না হয় সেজন্য রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ স্থানসহ সারাদেশে বিজিবির টহল জোরদার করা হয়েছে।
বাড্ডা জোনের সরকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) রাজম কুমার সাহা বলেন, এখন পর্যন্ত কোনো নিরাপত্তা শঙ্কা নেই। বাড্ডা এলাকায় স্বাভাবিকভাবে যান চলাচল করছে। গুলশান বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) রিফাত রহমান শামীম বলেন, পুলিশের পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা রয়েছে। আশঙ্কার কোনো কারণ নেই। সড়কে স্বাভাবিকভাবে যানবাহন চলাচল করছে। ডিএমপি মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. ফারুক হোসেন বলেন, বিশৃঙ্খলাসহ যে কোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় ঢাকায় পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। মানুষের জানমালের নিরাপত্তায় মোড়ে মোড়ে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। এছাড়াও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়কদের মুক্তি ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী কর্তৃক হয়রানি বন্ধের দাবিতে গতকাল সোমবার দুপুর আড়াইটার দিকে রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। তারা জানান, প্রেসক্লাবের সামনে তাদের এই কর্মসূচি পালনের কথা থাকলেও পুলিশ বাধা দেয়ায় তারা ডিআরইউর সামনে গিয়ে বিক্ষোভ সমাবেশ করেন। সমাবেশে শিক্ষার্থীরা বলেন, চলমান কোটা আন্দোলন দমাতে শিক্ষার্থী ও সাধারণ জনগণের ব্যক্তিগত মোবাইল ফোন চেক করছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এই অধিকার তাদের কে দিয়েছে? রাতের বেলা তারা প্রত্যেক মেসে গিয়ে শিক্ষার্থীদের হেনস্থা করছে। যাদের গ্রেফতার করা হয়েছে, তাদের অবিলম্বে মুক্তির দাবি তোলেন সমাবেশকারীরা। সেই সময় নয় দফা দাবি আদায় না হলে রাজপথে থাকার ঘোষণা দেন তারা। এক শিক্ষার্থী বলেন, শিক্ষার্থীরা আন্দোলন চালিয়ে যেতে চায় বলে সকাল থেকে দেখেছি পুলিশ, সেনাবাহিনী, বিজিবি বিভিন্ন জায়গায় অবস্থান নিয়েছে। ছাত্রদের তারা বিভিন্নভাবে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া দিচ্ছে। রাতে তারা প্রত্যেক মেসে গিয়ে শিক্ষার্থীদের হেনস্থা করছে। তারা মোবাইল চেক করছে। এই অধিকার তাদের কে দিয়েছে? শিক্ষার্থীদের আটক করছে, গ্রেফতার করছে। আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ জানাই। যে পর্যন্ত আমাদের নয় দফা দাবি আদায় না হচ্ছে, সেই পর্যন্ত আমরা রাজপথ ছাড়ব না। অবিলম্বে সব রেইড বন্ধ করতে হবে। বিজিবি, সেনাবাহিনী রাজপথ থেকে সরিয়ে নিতে হবে। কারফিউ প্রত্যাহার করতে হবে। আরেক শিক্ষার্থী বলেন, বিজিবি, র্যাব, পুলিশসহ সশস্ত্র বাহিনী নামিয়ে শিক্ষার্থীদের ওপর আক্রমণ করা হয়েছে। নির্যাতনের শিকার হয়ে শিক্ষার্থীদের কেউ কেউ চোখ হারিয়েছে, পঙ্গুত্ববরণ করেছে, অনেকের মৃত্যু হয়েছে। কোনো সংবাদ আমরা দেখতে পারিনি। কারণ ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে রাখা হয়েছে। এটা সমাজের ওপর ফ্যাসিস্ট আক্রমণ। এর প্রতিবাদে আমরা আমাদের নয় দফা দাবি জানিয়েছি এবং সেই দাবি না মানা পর্যন্ত আমরা রাজপথ থেকে সরব না। মানুষ হত্যার সঙ্গে রাষ্ট্রীয় বাহিনী জড়িত রয়েছে। তারা শিক্ষার্থীদের ওপর নির্বিচারে গুলি চালিয়েছে। আর গুলি চালানোর নির্দেশদাতা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ দায়ী ব্যক্তিদের পদত্যাগের দাবি জানিয়েছি। সোমবার এ প্রতিবাদী সমাবেশে দাঁড়াতে আমারা অনেক বাঁধা-বিপত্তির সম্মুখীন হয়েছি। চারপাশে সেনাবাহিনী, পুলিশ, র্যাব ও বিজিবি দিয়ে শিক্ষার্থীদের ঘিরে রাখে। এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি করা হয়েছে যে, আমরা নিজেদের বাসা-বাড়িতেও অনিরাপদ। কারণ বাসা-বাড়িতে গিয়ে গিয়ে পুলিশ রেইড দিচ্ছে, শিক্ষার্থীদের আটক করছে। সরকারের উদ্দেশে এ শিক্ষার্থী বলেন, যতক্ষণ পর্যন্ত দায়ী পুলিশের বিচার করা না হবে, ততোক্ষণ পর্যন্ত আমরা আন্দোলন চালিয়ে যাব। ডিবি কার্যালয়ে সমন্বয়কারীদের আটকে রেখে জোরপূর্বক আন্দোলনের কর্মসূচি প্রত্যাহারের ঘোষণা দেয়ানো হয়েছে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, গত রোববার রাতে যে নাটক সাজানো হলো, তা ছাত্র সমাজ বুঝে গেছে।
অপরদিকে রাবি প্রতিনিধি জানায়, সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কার নিয়ে আন্দোলনকে কেন্দ্র করে নয় দফা দাবি আদায়ে রাজশাহী-ঢাকা মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ সমাবেশ করে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শিক্ষার্থীরা। গতকাল সোমবার দুপুর পৌনে ১২টায় কয়েকজন শিক্ষককে সঙ্গে নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক সংলগ্ন মহাসড়কে এই কর্মসূচি পালন করেন তারা। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ডাকে সাড়া দিয়ে কর্মসূচিতে সংহতি প্রকাশ করে অংশগ্রহণ করেন গবেষক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. সালেহ হাসান নকীব, আরবি বিভাগের অধ্যাপক ড. ইফতিখারুল আলম মাসউদ, সমাজকর্ম বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জামিরুল ইসলাম এবং কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. সাইফুল ইসলাম। কর্মসূচিতে ‘বুকের ভেতর বইছে ঝড়, বুক পেতেছি গুলি কর’, ‘৭১-এর হাতিয়ার, গর্জে উঠুক আরেকবার’, ’১৮-এর হাতিয়ার, গর্জে উঠুক আরেকবার’, ‘দালালি না রাজপথ, রাজপথ রাজপথ’, ‘অ্যাকশন টু অ্যাকশন, ডাইরেক্ট অ্যাকশন’ বলে একের পর এক স্লোগান দিতে থাকেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।
কর্মসূচির বিষয়ে জানতে চাইলে রাবি বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক ফাহিম রেজা বলেন, সোমবার আমরা রাস্তায় নেমেছি প্রধানত দুটি কারণে আমাদের যে নয় দফা দাবি ছিল রাষ্ট্র বরাবর তা আদায়ের লক্ষ্যে এবং গত রোববার আমরা লক্ষ করেছি আমাদের কেন্দ্রীয় সমন্বয়কদের দিয়ে জোর করে, তাদের বন্দুকের নল ঠেকিয়ে ও বাধ্য করে বিবৃতি পাঠ করানো হয়েছে। এর প্রতিবাদে আমরা সারা বাংলাদেশের সঙ্গে সমন্বয় করে গতকাল সোমবার বিক্ষোভ মিছিলের ডাক দিয়েছি। কর্মসূচিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের দুই শতাধিক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে চট্টগ্রামে কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে আবারও পুলিশ ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এক পর্যায়ে পুলিশ শিক্ষার্থীদের লক্ষ্য করে টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে। গতকাল সোমবার বিকেল ৪টার দিকে নগরের কোতোয়ালি থানার চেরাগী পাহাড় মোড়ে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। এর আগে, বিকেল সাড়ে ৩টা থেকে সেখানে জড়ো হয়ে শিক্ষার্থীরা স্লোগান দিতে থাকেন। ঘটনাস্থলে থাকা পুলিশ তাদের সরিয়ে দেয়ার চেষ্টা করে। পরে পুলিশ শিক্ষার্থীদের লক্ষ্য করে টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে। এতে শিক্ষার্থীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যান। এর আগে বিকেল ৩টার দিকে জামালখান প্রেসক্লাব এলাকায় বিক্ষোভ কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দেন শিক্ষার্থীরা। কিন্তু পুলিশি তৎপরতায় সেখানে বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত কোনো কর্মসূচি পালন করতে পারেননি তারা। কয়েকজন শিক্ষার্থী জড়ো হওয়ার চেষ্টা করলে সেখান থেকে তিনজনকে আটক করে পুলিশ। আটকদের মধ্যে একজন চট্টগ্রামের একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী বলে জানা গেছে। পরে শিক্ষার্থীরা জামালখান প্রেসক্লাব থেকে কয়েক শ’ গজ দূরে গিয়ে চেরাগী পাহাড় মোড় এলাকায় বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন। সেখানে নারী শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ বেশি দেখা যায়। এছাড়া দুপুর ৩টার দিকে নগরের কাজীর দেউরি এলাকায়ও জড়ো হওয়ার চেষ্টা করেন বিক্ষোভকারীরা। পরে সেখানে সেনাবাহিনীর কয়েকটা গাড়ি এসে অবস্থান নেয়। ঘটনাস্থলের পাশে পুলিশের একটি টিমও দেখা গেছে। নগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার কাজী তারেক আজিজ বলেন, এমনিতে সভা-সমাবেশ করলে পুলিশের কাছ থেকে অনুমতি নিতে হয়। কিন্তু তারা পুলিশ থেকে কোনো অনুমতি নেয়নি। এছাড়া কারফিউ চলাকালে শিথিল থাকলেও কোনো সভা-সমাবেশ করা যায় না। কেউ যদি আইন ভঙ্গ করে কর্মসূচি পালন করে পুলিশ সর্বোচ্চ ধৈর্যের পরিচয় দিয়ে আইনিভাবে বিষয়টি মোকাবিলা করবে।
নিউজটি আপডেট করেছেন : Dainik Janata

সমন্বয়কদের মুক্তি ও হয়রানি বন্ধের দাবি * নগরীর মোড়ে মোড়ে পুলিশ, র্যাব ও বিজিবি’র টহল * ইসিবি চত্বর, মিরপুর ও ধানমন্ডি থেকে ২০ আন্দোলনকারী আটক * চট্টগ্রামে পুলিশ-শিক্ষার্থী সংঘর্ষ, টিয়ারশেল নিক্ষেপ, রাজশাহীতে মহাসড়ক অবরোধ
ফের শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ
- আপলোড সময় : ২৯-০৭-২০২৪ ১১:০৩:১৫ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ৩০-০৭-২০২৪ ১২:৫৩:০৮ পূর্বাহ্ন


কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ